ফরিদপুরে ছাত্রদল নেতা ও যুবদল কর্মীকে কুপিয়ে জখম

0 ৬৯৪

ফরিদপুরে ছাত্রদলের এক নেতা এবং যুবদলের এক কর্মীকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করা হয়েছে। আজ শুক্রবার বেলা দুইটার দিকে শহরের সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের পূর্ব পাশে কমলাপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ওই দুজনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বিএনপির নেতা-কর্মীরা অভিযোগ করেছেন, আওয়ামী লীগের ক্যাডাররা এ হামলা চালিয়েছে। হামলার শিকার ছাত্রদলের ওই নেতা হলেন জেলা ছাত্রদলের সহসাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মামুন (৩০)। তিনি শহরের দক্ষিণ ঝিলটুলী মহল্লার হায়দার আলীর ছেলে। অপরজন যুবদল কর্মী নাহিদ খান সনেট (৩১)। তিনি শহরের পূর্ব খাবাসপুর মহল্লার মজিদ খানের ছেলে।

সদর থানা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি সাইফুল ইসলাম চৌধুরী অভিযোগ করে বলেন, ছাত্রদলের নেতা ও যুবদলের কর্মীরা বিএনপি কেন্দ্রীয় নেতা কামাল ইউসুফের বাসভবন শহরের কমলাপুরের ময়েজ মঞ্জিলের মসজিদে যাওয়ার পথে কমলাপুর এলাকায় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ক্যাডারদের হামলার শিকার হন। হামলাকারীরা ওই দুজনকে একটি অটোরিকশা থেকে নামিয়ে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করে। পরে এলাকাবাসী তাঁদের উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।

ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজিমউদ্দিন বলেন, ‘হামলায় ছাত্রদল নেতা ও যুবদল কর্মী আহত হয়েছেন—এ তথ্য আমার জানা নেই। থানাতেও এ ব্যাপারে কেউ কোনো অভিযোগ দেয়নি।’

কোতোয়ালি বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হাসান জানান, বেলা পৌনে দুইটার দিকে বিএনপির নেতা-কর্মীরা ময়েজ মঞ্জিল মসজিদে নামাজ পড়ে রাস্তায় বের হওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ তাঁদের বাধা দেয়। পুলিশ ময়েজ মঞ্জিলের ফটকেই বিএনপি নেতা-কর্মীদের অবরুদ্ধ করে রাখে। ওই সময় ক্ষমতাসীন দলের ক্যাডাররা মোটরসাইকেল নিয়ে শোভাযাত্রা বের করে শোডাউন করে।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ ওই হামলার ঘটনাকে ন্যক্কারজনক উল্লেখ করে বলেন, ‘আমার বাসায় বিএনপির কিছু নেতা-কর্মীরা এসেছিলেন নামাজ পড়তে। তাঁদের ওপর হামলা হয়েছে। ময়েজ মঞ্জিলের ১০০ বছরের বেশি সময়ের ইতিহাসে এমন হামলার ঘটনা ঘটেনি।’

শুক্রবার শহরের বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে ক্ষমতাসীন দলের নেতা-কর্মীরা অবস্থান করেছেন এবং মোটরসাইকেলে মহড়া দিয়েছেন। এ পরিস্থিতির মধ্যে বিএনপির নেতা-কর্মীদের অনেকে গ্রেপ্তার এড়াতে আত্মগোপনে রয়েছেন।

মন্তব্য
Loading...