ফাইনালে চোখ রেখে মুখোমুখি শ্রীলঙ্কা-বাংলাদেশ

0 ১৭৫

একটি জয়ই বদলে দিতে পারে বাংলাদেশকে, সেটা পেয়েছে তারা নিদাহাস ট্রফির দ্বিতীয় ম্যাচেই। ২১৫ রানের টার্গেট অবিশ্বাস্যভাবে তাড়া করে জিতেছিল তারা শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। সেই লঙ্কানদের বিপক্ষে শুক্রবার আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে আবার মাঠে নামছে বাংলাদেশ। সহজ হিসাব- জিতলেই ভারতের বিপক্ষে ফাইনাল।

কিন্তু কে যাবে শিরোপার লড়াইয়ের মঞ্চে? এই প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যাবে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় শুরু হওয়া শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশের প্রতিদ্বন্দ্বিতা শেষে।

এই বাঁচা মরার লড়াইয়ে আত্মবিশ্বাসে এগিয়ে কিন্তু বাংলাদেশই। গত শনিবার মুশফিকুর রহিমের ব্যাট এনে দিয়েছিল তাদের অবিস্মরণীয় জয়। বাংলাদেশের এ উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান ভারতের বিপক্ষে শেষ ম্যাচেও জ্বলেছেন। কিন্তু পারেননি ভারতীয়দের বিপক্ষে প্রথম জয়ের স্বাদ এনে দিতে। অবশ্য লড়াই করে হেরেছে বাংলাদেশ। এটা ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছে দলীয় পারফরম্যান্সের।

ফাইনালে চোখ রাখা বাংলাদেশকে আত্মবিশ্বাসী করে তুলছে আরেকটি বিষয়। সাকিব আল হাসান দলে যোগ দিয়েছেন। আঙুলের চোট নিয়ে ছিটকে যাওয়ার পর এই প্রথমবার তাকে অনুশীলন ক্যাম্পে পেয়েছেন তামিম-মাহমুদউল্লাহরা। যদিও একাদশে তার থাকা না থাকা এখনও ঝুলে আছে। দলের সাবেক কোচ ও শ্রীলঙ্কার বর্তমান কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহে মনে করেন, এমন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে সাকিবকে পাওয়া বাংলাদেশের সৌভাগ্য। তবে ফিট না থাকলে তাকে নামানোটা হবে বাংলাদেশের জন্য আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের আশা, শতভাগ ফিট হয়ে খেলতে নামবেন এই অলরাউন্ডার।

এই ম্যাচের আগে বাংলাদেশকে দুশ্চিন্তায় রাখছে ডেথ ওভারের বোলিং। গত দুটি ম্যাচেই বোলাররা শুরুটা ভালো করলেও শেষ দিকে খেই হারিয়েছে। যার মাশুল দিতে হয়েছে ভারতের বিপক্ষে ১৭ রানে হেরে। ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ আশাবাদী ছিলেন, সমস্যাগুলো বের করে মাঠে নামবে তার দল এবং শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ভালো কিছু করবে। তার প্রত্যাশা, লঙ্কানদের বিপক্ষে ব্যাটসম্যানরা আগের ম্যাচের পুনরাবৃত্তি করবে।

অন্যদিকে শ্রীলঙ্কার বোলারদেরও একই অবস্থা। কিন্তু বাংলাদেশের বিপক্ষে সাম্প্রতিক সাফল্য তাদের এগিয়ে রাখছে। প্রতিপক্ষের মাঠে গত জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে সবগুলো সিরিজ জিতেছিল তারা। তাছাড়া ব্যাটিংয়ে বেশ দৃঢ় স্বাগতিকরা। ফর্মে থাকা কুশল মেন্ডিস ও কুশল পেরেরা বারবার বিপদে ফেলেছেন বাংলাদেশি বোলারদের। উপুল থারাঙ্গা, থিসারা পেরেরা ও দাসুন শানাকাও আছেন ফর্মে।

তাদের উন্নতি করতে হবে বোলিংয়ে। দুষ্মন্ত চামীরা ও নুয়ান প্রদীপের পেস আক্রমণ মাঝেমধ্যে ছন্দ হারাচ্ছে, সেটা আবার গুরুত্বপূর্ণ সময়ে। নিয়মিত অধিনায়ক দিনেশ চান্ডিমাল দুই ম্যাচ নিষিদ্ধ থাকায় উপুল থারাঙ্গার কাঁধে এখন দায়িত্ব। সবকিছু সামাল দিয়ে নিজেদের স্বাধীনতা কাপে শিরোপার আশা টিকিয়ে রাখার ভারও এখন তার ওপর।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

মন্তব্য
Loading...