Sylhet Express

পাঁচবিবি থানা এলাকার নামধারী সাংবাদিক বকুলের চাঁদাবাজিতে এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ

0 ১১২

জয়পুরহাট প্রতিনিধিঃ- জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি থানার ভিমপুর গ্রামের বিভিন্ন পত্রিকার পরিচয়দানকারী সাংবাদিক বকুলের চাঁদা বাজিতে এলাকা বাসি ক্ষুদ্ধ ।
এলাকার জনতা সূত্রে জানা যায় দীর্ঘদিন থেকে বকুল নামের এই সাংবাদিক এলাকায় মাদক ব্যবসা ও জুয়ার আস্তানা সহ বিভিন্ন অপরাধের মালিকদের কাছ থেকে টাকার বিনিময়ে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন ।এবং বকুল মিয়া এলাকার অনেক অসহায় মানুষের কাছ থেকে মামলা করে দিবেন বলে পাঁচবিবি থানার ওসি মনসুর রহমানের সাথে ভালো সম্পর্ক আছে বলে এবং ওই থানার ওসি মনসুর রহমান উনার কথায় উঠেন আর বসেন এই ধরনের কথাবার্তা বলে অনেক অসহায় মানুষের কাছ থেকে প্রচুর পরিমাণ টাকা আত্মসাৎ করতেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে ।

এলাকার জনতা সূত্রে আরও জানা যায় ওই থানার ওসি মনসুর রহমানের সাথে থানায় গিয়ে প্রতিদিন দেখা সাক্ষাৎ ও কথাবার্তা বলেন নামধারী সাংবাদিক বকুল মিয়া ।নামধারী সাংবাদিক বকুল মিয়া আরো বলেন ওই থানার ওসি মনসুর রহমানের অনেক কুকর্ম নাকি উনার কাছে জব্দ আছে, যদি কখনো পাঁচবিবি থানার ওসি মনসুর রহমান উনার কথার অবাধ্য হন তাহলে বকুল মিয়ার একটা নিউজে ওই ওসির চাকরি চলে যাবে, কি এতো বড় কুকর্ম করে আছেন ওসি মনসুর রহমান বিশ্বমিডিয়া জানতে চায় ।শুধু তাই নয় ওই পাঁচবিবি থানা এলাকার মার্ডার মামলার আসামিসহ কোন ধরনের আসামি গ্রেপ্তার করেন না নামধারী সাংবাদিক বকুল মিয়ার কথা ছাড়া ।এই কথাগুলো আমাদের কাছে মুঠোফোনে বয়েজ রেকর্ড করা আছে নামধারী সাংবাদিক বকুল মিয়ার ।

কে এই সাংবাদিক বকুল মিয়া এতো বড় মাপের সাংবাদিক একটা থানার ওসির চাকরি খেয়ে ফেলবে উনার পত্রিকায় একটা নিউজ করলে, কি এমন অপরাধ করেছেন পাঁচবিবি থানার ওসি মনসুর রহমান ।একজন সাংবাদিক এলাকায় এতো বড় হুমকি দিয়ে বেড়ায় কিভাবে স্থানীয় প্রশাসনের মহলের কাছে এলাকাবাসীর দাবি ।আমাদের অফিস থেকে প্রথমে নামধারী সাংবাদিক বকুল মিয়ার কাছে মুঠোফোনে বিষয়টি জানতে চাইলে এই সব কথা অস্বিকার করে ফোনটি কেটে দেন তারপর থেকে উনার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।পাঁচবিবি থানার ওসি মনসুর রহমান রহমানের কাছে এই বিষয়ে মুঠোফোনে জানতে চাইলে ওসি মনসুর রহমান কথাগুলো অস্বীকার করে ফোন কেটে দেন কিছুক্ষণ পর আবার ওসি মনসুর রহমান আমাদের অফিস নাম্বারে ফোন ব্যাক করে বলেন যে আমি সাংবাদিক বকুল মিয়ার কাছে ফোন দিয়েছিলাম তখন বকুল মিয়া উত্তরে বলেন এসব কথা মিথ্যে আমি বলি নাই কাউকে এরকম কথা আরো কিছু কথাবার্তা বলে ওসি মনসুর রহমান ফোনটি কেটে দেন ।কিন্তু আমাদের কাছে যথেষ্ট প্রমাণাদি রয়েছে নামধারী সাংবাদিক বকুলের।জয়পুরহাট জেলা পুলিশ সুপার মহোদয় উক্ত বিষয়টি আপনার আমলে নিয়ে সঠিকভাবে তদন্ত করে ও চাঁদাবাজ ও নামধারী সাংবাদিক বকুলের হাত থেকে এলাকার অসহায় মানুষদের কে মুক্ত করে দেয়ার জন্য উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন পাঁচবিবি থানা এলাকার ক্ষুব্ধ জনতা ।বিস্তারিত আরও অনেক প্রমাণাদি নিয়ে আসছে পরবর্তী নিউজে এই নিউজ ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত থাকবে সঠিক বিচার না হওয়া পর্যন্ত ।

মন্তব্য
Loading...