Sylhet Express

বাড়ি ভাড়ার চাপে দিশেহারা নগরীর মধ্য ও নিম্নবিত্ত ভাড়াটিয়ারা

0 ২৫০

(কেভিড-১৯) করোনা ভাইরাসের ক্লান্তিলগ্নে বিপাকে পড়েছেন সিলেটের ভাড়াটিয়ারা।বিশেষ করে মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তরা বাসা ভাড়া কিভাবে পরিশোধ করবেন এই চিন্তায় নিয়ে দিনের পর দিন পাড় করছেন। ইতিমধ্যে অনেক বাসার মালিকরা ভাড়াটিয়াদের সঙ্গে কঠোর হিসাব নিকাশ শেষ সমাপ্তি ঘটিয়েছেন।চলিত এ মাসের ভাড়া অর্ধেক কিংবা অর্ধেকের বেশি পরিশোধ করলেও মালিকের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে লক ডাউন শেষে এক মাসের মধ্যে বকেয়া সহ বাসা ভাড়া পেমেন্ট করতে হবে ভাড়াটিয়াদের। এমনি অমানবিক নিষ্ঠুরতার রূপে মালিকরা ভাড়াটিয়াদের শর্ত দিচ্ছেন বলেও জানা গেছে।কামরুল ইসলাম নামের এক ব্যাক্তি বলেন, করোনা ভাইরাসের প্রার্দুভাবে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন থেকে বন্ধ রয়েছে । এমতাবস্থায়, দু’টাকা ইনকাম নেই তবুও বাসার মালিক বার বার ফোন দিয়ে বলছেন,কত তারিখ ভাড়া দিব।যতটুকু সম্ভব হয় ততটুকু দেওয়ার কথা বললে মালিক বলেন ঈদের পূর্বে সম্পুর্ন ভাড়া পরিশোধ করতে হবে।নতুবা লকডাউন শেষে এক সঙ্গে সম্পুর্ন ভাড়া পরিশোধ করতে হবে।আরেক ব্যাক্তি বলেন,লকডাউনের কারণে ব্যবসা বাণিজ্য বন্ধ থাকায় কোন মতে পরিবার নিয়ে বেচে আছেন। এ অবস্থায় মালিক বাসা ভাড়ার জন্য চাপ দিচ্ছেন।বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এক শিক্ষক বলেন, রাষ্ট্রের অনুমোদন নিয়ে একটি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চালাচ্ছি। কিন্তু বর্তমান এ সংকটময় পরিস্থিতিতে একেবারেই অসহায় অবস্থায় জীবন যাপন করছি।এ পরিস্থিতিতে মালিকের পক্ষথেকে বাসা ভাড়ার চাপ দিচ্ছেন না তবুও যে ভাড়া জমেছে পরবর্তীতে তা কিভাবে পরিশোধ করবো তা বোঝে উঠতে পাড়ছি না।
সিলেট নগরিতে বাসা ভাড়া নিয়ে মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত মানুষেরা বিপাকে পড়েছেন। অথচ দেখবার কেউ নেই।তবে এ বিষয়ে সিসিক মেয়র আরিফুর হক চৌধুরী সহ নগরের দায়িত্বশীল নেতাকর্মীর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরী বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

মন্তব্য
Loading...