Sylhet Express

সিলেটের বাজারে মানুষের ভিড়, বাড়ছে করোনা আক্রান্ত

0 ১৫৪

টানা এক মাসেরও বেশী সময় ধরে চলমান লকডাউন এখন পুরোপুরি ভেঙ্গে পড়েছে। সিলেটে চলছে গণপরিবহন। রাস্তায় রীতিমতো যানজট।ফুটপাত থেকে শুরু করে জুতার দোকান,কাপড়ের দোকানে রয়েছে মানুষের ভীড়। একে অন্যের সাথে ঘেঁষাঘেষি করে কেনাকাটা করছেন। যেন- পৃথিবী স্বাভাবিক হয়ে গেছে। করোনা বলতে তাদের কাছে কোন কিছুই নেই।গতকাল রোববার (১৭ মে) এমন দৃশ্য দেখা যায় পুরো নগরজুড়ে।এমন পরিস্থিতিতে প্রাণঘাতী ভাইরাস কোভিড-১৯ এর গতিবিধি কতটুকু বিপর্যয়ের দিকে যাচ্ছে- তা অনুমেয় করার বাইরে।সিলেটে আজও আক্রান্ত হয়েছেন ১৩ জন। মাত্র ৮৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। তার মধ্যে পজেটিভ আসে ১৩ জনের। অর্থাৎ তারা করোনা আক্রান্ত।গতকাল শনিবার নমুনা পরীক্ষা করা হয় মাত্র ৯৪ জনের। এর মধ্যে পজেটিভ আসে ১৮ জনের। এ নিয়ে সিলেটে আক্রান্ত হয়েছেন ৪১৩ জন।ধারণা করা হচ্ছে- নমুনার হার যতো বাড়বে, ততো বাড়বে আক্রান্তের সংখ্যা।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনা সংক্রমন ঠেকাতে গুরুত্ব দিতে হবে চরম সামাজিক দূরত্ব সৃষ্টি করার বিষয়টিতে। যদি কোনো জাদুর সাহায্যে ১৪ দিন পর্যন্ত মানুষকে এক জায়গায় আটকে রাখা যায় এবং ছয় ফুট দূরত্ব তৈরি করা সম্ভব হয়, তবে এই মহামারি অনেকাংশে আটকে দেওয়া যাবে। এতে ভাইরাস সংক্রমণ প্রায় শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা সম্ভব হবে। কারণ অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দুই সপ্তাহের মধ্যে করোনাভাইরাস সংক্রমণের উপসর্গ দেখা যায়।স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন-কমিউনিটি ট্রান্সমিশন হয়ে গেলে করোনা প্রতিরোধ করা খুবই কঠিন হয়ে যাবে। একমাত্র লকডাউন ও সামাজিক দূরত্ব সৃষ্টি করার কোন বিকল্প নেই। এ পদক্ষেপের জন্য ভ্রমণ ও মানুষের মধ্যে সংস্পর্শে আশার বিষয়টি অবশ্যই কমাতে হবে বলে মত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।শহরের মধ্যে বিপজ্জনক কিছু জায়গা থাকে যেমন রেস্তোরাঁ, শপিংমল, দোকানপাট সহ ভিড় জমানো জায়গাগুলো থেকে দুর থাকতে হবে।কিন্তু সিলেটে এসব কিছুই মানা হচ্ছেনা। নগরীর ব্যাংক, কাচাবাজার, দোকাগুলোতে মানুষের ভীড় লেগে থাকে। মানুষজনের মধ্যে কোন সচেতনতা নেই। তাই এখন যা হচ্ছে তা শুধু বিপর্যয়ই ডেকে আনবে।

মন্তব্য
Loading...