Sylhet Express

রাজনীতিতে অলস সময় কাটাচ্ছেন বিএনপি নেতারা

0 ২৪৫

দেশে করোনার এই মহাসংকটেও রাজনীতিতে অলস সময় কাটাচ্ছেন বিএনপি নেতারা। এ সময়ে তাদের দেখা যায়নি তেমন কোনো কর্মসূচিতে। এদিকে দলের চেয়ারপার্সন জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পর নেতাকর্মীদের কর্যক্রমে অসন্তোষ বলে জানা গেছে।বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের একটি বড় অংশ প্রায় অচল এবং অকেজো হয়ে আছে। খালেদা জিয়া মনে করছেন দলকে চাঙা করতে হলে নেতৃত্বে পরিবর্তন আনতে হবে। বিশেষ করে যারা দলীয় কার্যক্রমে অনুপস্থিত, দলের কোনো কর্মকাণ্ডে পাওয়া যায় না তাদেরকে সরিয়ে দেয়া হবে।এদিকে রাজনীতির ভবিষ্যত নিয়ে হতাশায় দল ছাড়ছেন নেতাকর্মীরা। এতে দলটির মধ্যে ভাঙনের সৃষ্টি হয়েছে।

বিএনপির একাধিক নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে যে, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের প্রতি খালেদা জিয়া এখন বেশ অসন্তুষ্ট। ২৫ মার্চ খালেদা জিয়া জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পর স্বরূপে আত্মপ্রকাশ করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আগে বিএনপির আরেক নেতা সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভিও বেশ সরব ছিলেন। কিন্তু তিনিও এখন ঝিমিয়ে পড়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে।

এছাড়া নজরুল ইসলাম খান মাঝে মাঝে এসেছেন, কিছু কথাবার্তা বলেছেন। কিন্তু বিএনপির স্থায়ী কমিটির অনেক গুরুত্বপূর্ণ সদস্যকে পর্দার আড়ালে থাকতে দেখা গেছে। খালেদা জিয়া যেদিন মুক্তি পায় সেদিন ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, মির্জা আব্বাসকে দেখা গেলেও এর কয়েকদিন বাদে তারা লাপাত্তা হয়েছেন।

বিএনপির একজন নেতা বলেন, খালেদা জিয়া যখন জেলে ছিলেন তখন তিনি অনেক কিছুই জানতেন না, দেখতেন না। এখন তিনি সব খোঁজখবর নিচ্ছেন। লন্ডনে পলাতক বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক জিয়াও এখন সবকিছু দেখছেন। যেসব নেতারা অকেজো, যারা দলের জন্য কোন কাজই করতে পারছেন না এবং কোন অবদান রাখতে পারছেন না তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যদের মধ্যে লেফটেন্যান্ট মাহবুবুর রহমান নিজেই দলের কর্মকাণ্ড থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছেন। ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়াঁ অসুস্থতার জন্য দলীয় কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করছেন না। ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন এই আছেন, এই নেই। তারপরেও তিনি দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, তাকে এখনই দলের স্থায়ী কমিটি থেকে বাদ দেয়ার চিন্তাভাবনা করছে না দলের হাইকমান্ড। কিন্তু অন্যান্য নেতৃবৃন্দ দলের কাজে তেমন কোনো অবদান রাখতে পারছে না।

মন্তব্য
Loading...