Sylhet Express

নগরীতে প্রশাসনের নাকের ডগায় ইয়াবা মামুনের ইয়াবা সম্রাজ্য

0 ৭৬৯

স্টাফ রিপোর্টারঃ দেশব্যাপী চলছে মাদক বিরোধী অভিযান যেখানে মাদকের বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষনা করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী,চলছে অভিযান এতোকিছুর পরও এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়ে গেছে সিলেট নগরীর শাহজালাল উপশহর ও পাশ্ববর্তি এলাকার মাদক ব্যবসার প্রধান হোতা মামুন হোসেন প্রকাশ ইয়াবা মামুনের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন নিরীহ এলাকাবাসী।

উপশহরের এইচ ব্লকের এক,দুই,তিন,নং রোডসহ বিভিন্ন এলাকাকে মাদকের স্বর্গরাজ্য পরিনত করেছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর। ভুক্তভোগীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানিয়েছেন সিলেট শাহপরান থানাধীন শহরতলির পীরেরবাজারের মন্নান মিয়া ওরফে ভাংঙ্গাড়ী মন্নানের ছেলে ইয়াবা মামুন প্রশাসনের নাকের ডগায় একঝাঁক মাদক ব্যবসায়ী লালন করে দেদারসে মাদকের রমরমা বানিজ্য করে আসছে।

মাজে মধ্যে রাতের বেলায় শাহপরান থানার দুই একজন অফিসারদের সাথে মটর সাইকেল অথবা টহল পুলিশ ডিউটির সিএনজি অটোরিকশায় দেখা যায়।রহস্যজনক কারণে পুলিশ তাকে ইয়াবা ব্যবসায়ী জেনেও নীরব ভূমিকা পালন করছে।

পুর্বে জাল টাকা সহ র‍্যাবের কাছে আটক ইয়াবা মামুন

এমনকি তথ্যমতে মামুন হোসেন প্রকাশ ইয়াবা মামুন দীর্ঘদিন জাল টাকার ব্যবসায় নিয়জিত ছিলো জাল টাকা সহ র‍্যাবের কাছে সে গ্রেফতারও হয়েছিল। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন তরুণ মাদক বিক্রেতা জানান ক্রেতারা যখন পুলিশের ভয়ে একটু দুরে থাকেন আমি টাকা নিয়ে ইয়াবা, গাজা, মামুন ভাইয়ের কাছথেকে এনে দেই।মামুন ভাই আমাদের কমিশন দেন মামুন ভাইর কাছ থেকে অনেক বড় বড় বেটারা ইয়াবা নিয়ে বিক্রি করেদেন, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন মাদকসেবী জানান পুলিশের চাপ থাকলে মামুন নিজে ইয়াবা দিয়ে আসেন।

আরো জানান ইয়াবা মামুনকে শাহপরান থানার ওসি কাইয়ুম ভাই খুব মায়া করেন,তার সাথে ফোনেও কথাহয়। মামুন যে মোটরসাইকেল দিয়ে ইয়াবা বহন করে সেই মোটরসাইকেলের মালিক সুমন। সুমনের কাছথেকে জোরপূর্বক মোটরসাইকেল আটক করে রেখে দেয় মামুন।

ইয়াবা মামুনের তার নেতৃত্বেই উপশহর,তেররতন এলাকাসহ অন্যান্য এলাকায় বিক্রি হচ্ছে ইয়াবা। এই ইয়াবা উপশহরের ওলি গলিতে পাওয়া যাচ্ছে। ফোন করলেই মিলছে পাইকারী ও খুচরা। শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী ইয়াবা মামুনের কাছে।

উল্লেখ্য এছাড়াও গত ১২ই মার্চ, ২০২০ বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় সিলেট নগরীর উপশহর এ ব্লকের ৮ নং রোড থেকে ৯৪৫ পিস ইয়াবাসহ ইয়াবা সম্রাট মামুনের সহযোগী জালাল উদ্দিন নামের চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীকে মাদক বিক্রির নগদ টাকা ইয়াবা ও ৩টি মোবাইল সেট এবং তার ব্যবহৃত প্রাইভেট কারসহ আটক করে র‌্যাব।

যেখানে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা মাদক ও দুর্নিতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নিতি অবলম্বন করছেন এবং জননেত্রির নির্দেশে আইন সিংকলা বাহিনী মাদকের বিরুদ্ধে জিহাদ গোসনা করেছে সেখানে পুলিশের নাকের ডগায় প্রশাসনকে বূদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্সন উল্ট প্রশাসনের কর্তা বেক্তির নাম বাঙ্গিয়ে প্রকাস্য যুব সমাজ বিদ্দন্সিকারি ইয়াবার সাম্রাজ্য চালিয়ে যাচ্ছে ইয়াবা মামুন।

সরকার মাদক নির্মূলে দেশব্যাপী সাঁড়াশি অভিযান শুরু করেছে কিন্তু নগরীর অভিজাত এলাকায় উপশহরের এইচ ব্লকে ইয়াবা স্বর্গরাজ্যখ্যাত মাদকবিরোধী অভিযানের ছোঁয়া লাগেনি। ফলে এখানে ইয়াবা মামুন আরও বেপরোয়া।এ নিয়ে সচেতন মহলে প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে নগরীর উপশহরে মাদক বিরোধী অভিযান।

অজানা ক্ষমতার বলে দেশে চলমান মাদক অভিযান চলাকালেও ইয়াবা মামুনের দাপটের সাথে ইয়াবা ব্যবসা অনেকটা আতঙ্কিত করে তুলেছে শান্তি প্রিয় উপশহরবাসীকে।

অনেক অভিভাবক উদ্বেগ প্রকাশ করে এই প্রতিবেদকে বলেছেন আমরা আমাদের সন্তান্দের নিয়ে খুব দুসচিন্তায় আছি কারন এখানে হাত বাড়ালেই পাওয়াজায় ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদক, এবং ওলি গলিতে ছড়িয়ে যুবসমাজকে ধংসের পথে নিয়ে যাচ্ছে।

স্থানীয় এলাকাবাসীর অভিযোগ,ইয়াবা মামুন প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় থেকে ইয়াবা বিক্রি করে । তাই ইয়াবা মামুনের বিরুদ্ধে কেউ কোন প্রতিবাদ করার সাহস পাচ্ছে না। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন এইসব মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে দ্রুত কার্যকরি পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।এমনটিই আশা করছেন স্থানীয়রা।

ঘটনার সত্যতা জানতে এ ব্যাপারে ইয়াবা মামুনের সাথে যোগাযোগ করা হলে,তিনি দম্ভোক্তি সুরে বলেন হে আমি ইয়াবা ব্যবসা করি তাতে আপনাদের কি হয়েছে পারলে কিছু করেন,যতদিন শাহপরান থানার ওসি কাইয়ুম ভাই আমার সাথে আছেন,ততদিন আপনারা কেনো প্রশাসন আমার কিছু করতে পারেবেনা প্রশাসন জানে আমি ইয়াবা ব্যবসা করি,এবং তাদের নিয়মিত মাসহারা দেই।

এ ব্যাপারে জানতে সিসিক ২২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সালেহ আহমদ সেলিম এর মুঠোফনে একাধিকবার ফোন দেয়া হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।

এ ব্যাপারে শাহপরান (রহ.)থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,আমি আসলে এরকম কোন লোককে চিনিনা জানিনা,তবে আমি অফিসার উপশহর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এস আই চন্দ্র শেখর বড়ুয়াকে বলে দিচ্ছি একটু তথ্য দিয়ে সাহাজ্য করবেন।

এ ব্যপারে জানতে উপশহর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এস আই চন্দ্র শেখর বড়ুয়ার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন কোনো অপরাধীকে ছাড় দেয়া হবে না। অপরাধী যতই শক্তিশালী হোক না কেন তার চেয়েও বেশি শক্তিশালী আমাদের পুলিশ বাহিনী।..

আগামী পর্বে থাকছে ইয়াবা মামুনের আমলনামা,কোন বিল্ডিংয়ে আস্তানা,, , !

মন্তব্য
Loading...